খুলনা অফিস || মিডিয়া জার্নাল
খুলনায় সম্ভাব্য নাশকতা ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি প্রতিরোধে আইন-শৃঙ্খলারক্ষা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট শিববাড়ি মোড়, রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল ও সরকারি স্থাপনা গুলোতে পুলিশ ও র্যাবের টহল জোরদার করা হয়েছে। নাশকতা প্রতিরোধে ২৫ স্থানে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। বুধবার গভীর রাতে খুলনা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক সেরেস্তায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকটি চেয়ার ও টেবিল পুড়ে যায়।
পুলিশ জানায়, ১১ নভেম্বর রাতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঝটিকা মিছিল ও আগুন জ্বালানোর মতো কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করে পুলিশ। কেএমপি সহকারী কমিশনার (মিডিয়া) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “খুলনা শহরে ২৫টি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। প্রতিটি চেকপোস্টে ৪-৫ জন করে পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। যে কোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা কঠোর হাতে দমন করা হবে। নগরবাসীর জানমাল রক্ষায় পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।”
তিনি আরও জানান, মোটরসাইকেলসহ সন্দেহজনক যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, র্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও মাঠে রয়েছেন। কেউ নাশকতার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জানা গেছে, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে থাকলেও নিরাপত্তা জোরদার থাকায় সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ বিরাজ করছে।
দলিল লেখক সেরেস্তায় আগুন
১২ নভেম্বর দিবাগত রাত ৩টার দিকে খুলনা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক সেরেস্তায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, দুর্বৃত্তরা দুটি প্লাস্টিক বোতলে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে কয়েকটি চেয়ার ও টেবিল পুড়ে যায়।
খুলনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: শফিকুল ইসলাম বলেন, “সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের পাশে অবস্থিত দলিল লেখকদের বসার স্থানে আগুন লাগে। ঘটনাস্থল থেকে পানির বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। মশার কয়েল বা সিগারেটের আগুন থেকেও আগুনের সূত্রপাত হতে পারে, এ বিষয়টিও তদন্ত করা হচ্ছে। থানায় পুলিশের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ”
টুটপাড়া ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকির হোসেন জানান, “রাত ৩টা ৫৫ মিনিটে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রæত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। তবে বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।



















